দিন দিন চাকরির বাজার অনেক কঠিন হয়ে পরছে। বর্তমানে ভালো একটা চাকরি পাওয়া সোনার হরিণের মতো যা সবার কাছে ধরা দেয় না। এতে করে দেশে বেকারত্ব ব্যাপক হারে দিন দিন বেড়ে চলছে।

১০টি বড় ব্যবসার আইডিয়া
১০ টি বড় ব্যবসার আইডিয়া 



১. পার্লার ব্যবসা 

মানুষ সৌন্দর্যের পুজারী। নিজেকে ভালো ভাবে সাজিয়ে গুছিয়ে অন্যদের থেকে আকর্ষণ করে তুলতে চাই সব সময়। আপনার কাছে ভালো মূলধন থাকলে আপনি চাইলে পার্লার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। এর প্রয়োজনীয় মাল নিয়ে কোন আবাসিক এলাকা। 

অথবা মানুষ জনের আনাগোনা বেশি যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো যেখানে দোকান দিতে পারেন। বব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে এই সব কাজে প্রশিক্ষণ গ্রহন করতে হবে। তারপর আপনি এই ব্যবসা আসবেন। অথবা আপনি চাইলে অন্য কোন দক্ষতা সম্পুর্ণ লোক রাখতে পারেন। 


২. কমিউনিটি সেন্টার ব্যবসা

কমিউনিটি সেন্টার দিন দিন জনপ্রিয়তা বেড়ে চলে তা আমরা ভালো জানি। বিশেষ করে শহরে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এই ব্যবসা আপনি একবার টাকা বিনিয়োগ করলে দীর্ঘদিন আর বিনিয়োগ করা লাগে না। এই ব্যবসা ঝুঁকি অনেকটা কম লাভের পরিমাণ বেশি থাকে। 

কমিউনিটি সেন্টার দেওয়ার আগে আপনাকে ভালো একটা জায়গা নির্বাচন করতে হবে। এমন জাায়গায় হতে হবে সেন চারপাশে খোলামেলা থাকে। গাড়ি রাখার সুন্দর একটি ব্যবস্থা থাকে। কমিউনিটি সেন্টার যেন মানসম্মত হয়। তাহলে গ্রাহক আপনার ব্যবসার প্রতি আগ্রহ দেখাবে। 

৩. ডিলারশিপ ব্যবসা 

ডিলারশিপ ব্যবসা একটি লাভজনক ব্যবসা। আপনি কোনো কোম্পানির থেকে নির্দিষ্ট একটি প্রোডাক্ট নিয়ে আপনার এলাকায় বিক্রি করতে পারেন। এই জন্য আপনি কোম্পানির সাথে চুক্তি আবদ্ধ হতে হবে।

ডিলারশিপ ব্যবসা করার জন্য আপনি কোম্পানি থেকে বাকিতে অথবা নগদ টাকা দিয়ে মাল আনতে পারবেন। আপনাকে এমন প্রডাক্টের ডিলারশিপ নিতে হবে যার বাজারে চাহিদা রয়েছে। 

৪. রেস্টুরেন্ট ব্যবসা 

আপনার কাছে ভালো মূলধন থাকলে । একটি মানসম্মত রেস্টুরেন্ট দিতে পারেন। তবে এই ব্যবসা ঝুকি  ও আছে। রেস্টুরেন্ট দেওয়ার আগে আপনাকে রেস্টুরেন্টের খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কে ভালো জ্ঞান অর্জন করতে হবে। সঠিক ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। মানসম্মত খাবার রাখতে হবে কাস্টমারের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। 

রেস্টুরেন্ট দেওয়ার আগে আপনাকে একটি সুন্দর জায়গা নির্বাচন করতে হবে।  খোলামেলা জায়গায় বেচে নিবেন। সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখবেন। 

৫. ছোট শিশুদের খেলনা উৎপাদন 

ছোটদের খেলনা তৈরি আপনার জন্য একটি লাভজনক ব্যবসা হতে পারে। এই ব্যবসা ক্ষতি সম্ভবনা অনেক কম। আপনার উৎপাদিত খেলনা শহরে গ্রামের উভয় জায়গায় বিক্রি করতে পারবেন। খেলনার চাহিদা অনেক। 

আমাদের দেশে ভালো খেলনা তৈরি কারখানা নেই। আমাদের চীন বা অন্যান্য দেশ থেকে খেলনা নিয়ে আসতে হয়। আপনি এই ব্যবসা শুরু করে বাজার দখল করতে পারবেন। কারখানা দেওয়ার আগে দক্ষ জনবল নিয়োগ দিতে হবে। 

৬. রিসাইক্লিং ব্যবসা 

রিসাইক্লিং ব্যবসা মানে পুরোনো ফেলে দেওয়া জিনিসকে আবার ব্যবহার যোগ্য করে তোলা। খুব লাভজনক একটা ব্যবসা। আপনি ফেলে দেওয়া প্লাস্টিকের বোতল সংগ্রহ করে সেগুলো কুচি কুচি করে কেটে সেই গুলো দিয়ে নানা রকম প্লাস্টিকের পণ্য তৈরী করতে পারবেন। আর আপনি যদি পণ্য উৎপাদন না করতে চান তাহলে। আপনার তৈরি করা প্লাস্টিকের কুচি গুলো অন্য ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিতে পারবেন। 

৭. অনলাইনে পণ্য বিক্রি 

বর্তমানে অনলাইনে নানা রকম পণ্য বিক্রি একটি জনপ্রিয় ব্যবসা হিসেবে হয়ে উঠেছে। আপনি চাইলে ঘরে বসে এই ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আপনি চাইলে বড় পরিসরে অথবা ছোট পরিসরে শুরু করতে পারেন। 

ব্যবসা শুরু করার আগে আপনাকে বাজার যাচাই বাছাই করে শুরু করতে হবে। এমন পণ্য নিয়ে কাজ করতে হবে যা অনেক চাহিদা আছে। অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য প্রয়োজন একটি ফেসবুক পেজ, গ্রুপ, ইউটিউব চ্যানেল, আর একটি ওয়েবসাইট। এই গুলো তৈরি করে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। 

৮. আমদানি রপ্তানি ব্যবসা 

অল্প দিনে কোটিপতি হওয়ার জন্য আমদানি রপ্তানি ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বাইরের দেশ থেকে কম দামে বেশি পণ্য নিয়ে এসে দেশে তা দ্বিগুণ দামে বিক্রি করতে পারবেন। প্রথমে আপনি আমাদের দেশে চাহিদা অনুযায়ী একটা পণ্য সিলেক্ট করুন পরে তা আলিবাবা, অথবা অ্যামাজন থেকে পণ্য নিয়ে আসতে পারবেন। 

বর্তমানে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশী পণ্য চাহিদা রয়েছে। ভালো বায়ার খুঁজে সহজে আমাদের দেশে জিনিস বিদেশে বিক্রি করতে পারবেন। বাংলাদেশ থেকে জামা কাপড় বিদেশে ব্যাপক রপ্তানি হয়। 

৯. বেকারি ব্যবসা 

আমাদের দেশে বর্তমানে বেকারি পণ্য চাহিদা অনেক। সকালে নাস্তা থেকে শুরু করে রাতে ভাত খাওয়ার আগ পর্যন্ত আমরা বেকারি কোন না কোন খাদ্য পণ্য খেয়ে থাকি । আপনি একটি বড় ধরনের ঘর ভাড়া নিয়ে সেখানে আপনি বিস্কুট, কেক, ইত্যাদি আরো খাদ্য দ্রব্য দক্ষ কারিগর দিয়ে উৎপাদন করতে পারেন। খাবারের মান সবসময়ই ভালো রাখতে হবে। তাহলে দ্রুত সাফল্য পাবেন। 

১০. ছাগল খামার 

ছাগল পালন সম্পর্কে আপনার যদি ভালো ধরণা থাকে। তাহলে আপনি একটি ছাগল খামার দিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। আর কোন অভিজ্ঞতা না থাকলে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তারপর শুরু করবেন। 

এতে লস হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে। ছাগল খামার দেওয়ার আগে একটি সুন্দর খোলামেলা জায়গায় বেচে নিতে হবে। সব সময় উঁচু জায়গায় নেওয়ার চেষ্টা করবেন। ঘর তৈরি করার সময় মনে রাখবেন ঘরে যেন পর্যাপ্ত আলো বাতাস ঢুকতে পারে। 

আরো পড়ুন 






3 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন