এসইও মাধ্যমে ওয়েব সাইট সার্চ ইঞ্জিননে রেঙ্ক করানো হয়। একটি ওয়েব সাইট রেঙ্ক করানোর জন্য এসইও করা খুব জরুরী   কিওয়ার্ড দ্বারা সার্চ রেজাল্ট ওয়েব সাইটটিকে প্রথমে দেখানো হচ্ছে এসইও

এসইও কি? কিভাবে এসইও করতে হয়
এসইও কি? কিভাবে এসইও করতে হয় 

সার্চ ইঞ্জিন অথবা  এসইও নিয়ে কাজ করতে গেলে আপনাকে আগে যা যা জানতে হবে সার্চ ইঞ্জিন ও সার্চ রেজাল্ট।


সার্চ ইঞ্জিন কি 

সার্চ ইঞ্জিন হলো পৃথিবীর যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার সবচেয়ে সহজ মাধ্যম । সার্চ ইঞ্জিন গুলো  সব ওয়েবসাইটের ইনডেক্স হয়ে যাও তথ্য সংগ্রহ করে এবং ইউজারের সমান তা দেখাই 

গুগল, ইয়াহু, বিং, আস্ক, ও বাইডু এই গুলো হলো সেরা সার্চ ইঞ্জিন। 

সার্চ রেজাল্ট

আপনি কোনো বিষয় সম্পর্কে জানতে চান গুগলে গিয়ে  সার্চ করলেন ওই বিষয় সম্পর্কে সার্চ দেওয়ার পর অনেক ওয়েবসাইট চলে আসবে। এইটি হলো সার্চ রেজাল্ট।
এসইও তিন ধাপে করা হয়। যেমন

  • অনপেজ এইসইও 
  • অফপেজ এসইও 
  • টেকনিক্যাল এসইও 

অনফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন

অনপেজ এসইও ওয়েব পেজের ভিতরে করা হয়। ওয়েব সাইট সার্চ ইঞ্জিননে রেঙ্ক করানো জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সব সময় অনপেজ এসইও সঠিক ভাবে করতে হবে। অনপেজ এসইও মধ্যে হলো :-

  • ওয়েব সাইটের জন্য কি ওয়ার্ড রিসার্চ। 
  • ওয়েব সাইটের টাইটেল বা নাম। 
  • ওয়েব সাইটের মেটা ডেসক্রিপশন বা বিবরণ। 
  • ওয়েব সাইটের ম্যাটার কিওয়ার্ড ট্যাগ। 
  • ওয়েব সাইটের ব্যবহৃত ছবি গুলোর টাইটেল বা নাম। 
  • ওয়েব সাইটের ব্যবহৃত ছবি গুলোর অল্ট ট্যাগ। 
  • ওয়েব সাইটের ব্যবহৃত ছবি গুলোর ক্যাপশন। 
  • ওয়েব সাইটের বিভিন্ন পেজের মধ্যে অন্তঃসংযোগ। 
  • ওয়েব সাইটের সাথে অন্য ওয়েব সাইটের লিঙ্ক করে দেওয়া। 

কী-ওয়ার্ড রিসার্চ 

একটি ওয়েব সাইট রেঙ্ক করানো জন্য কী-ওয়ার্ড  রিসার্চ খুব গুরুত্বপূর্ণ। সব সময় সঠিক কি - ওয়ার্ড রিসার্চ করে বের করতে হবে এসইও ক্ষেত্রে কি - ওয়ার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

বর্তমান সময়ে কী-ওয়ার্ড রিসার্চের জন্য অনেক ফ্রী ও পেইড টুল পাওয়া যায় । কি-ওয়ার্ড রিসার্চ জন্য Google keyword planner ব্যবহার করতে পারেন। এইটা একদম ফ্রি 

কী-ওয়ার্ড রিসার্চ কার সময় আপনাকে যেই বিষয় গুলোর উপর বেশি বেশি লক্ষ রাখতে হবে 

1. কান্ট্রি টার্গেট। 
2. সার্চ ভলিউম। 
3. কী-ওয়ার্ড ডিকিকাল্টি ইত্যাদি। 

মেটাটাইটেল ট্যাগ 

একটি ওয়েব পেজের এইচটি এমএল ট্যাগ হচ্ছে মেটাটাইটেল ট্যাগ। গুগলে যখন আপনি কোনো কিছু সার্চ করেন তখন সেটা আপনাকে দেখানো হয়। মেটাটাইটেল ট্যাগে কিওয়ার্ড ব্যবহার করা উঠিত। 

মেটাডেক্রিপশন ট্যাগ 

মেটাডেক্রিপশন ট্যাগ দেখে এখন ভিজিটর দ্রুত বুঝতে পারে আপনার ওয়েবসাইট কি ধরনের কন্টেন্ট আছে। 
মেটাডেসকিপশন ট্যাগে সব সময় কয়েকটা কিওয়ার্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন। তাহলে সাইট দ্রুত রেঙ্ক করবে। 

এসইও ফ্রেন্ডলি ইউ আর এল 

সাইটে সব সময় এইও ফ্রেন্ডলি ইউ আর এল ব্যবহার করতে হবে। ইউ আর এলেএ কখনো (_), আন্ডারস্কোর, (*) স্টারমার্ক, (?) প্রশ্নবোধক চিহ্ন ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না। 

আপনারা সব সময় কাস্টম ইউ আর এল তৈরি করবেন রুটডো মেইন +পোস্ট টাইটেল। ইউ আর সব সময় ছোট রাখার চেষ্টা করবেন। 

রোবট টেক্সট 

রোবট টেক্সটের মাধ্যমে গুগল ও অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের রোবটকে আপনার ওয়েবসাইটের ওয়েব পেজ ইনডেক্স ও ডি - ইনডেক্স করে রাখতে পারবেন। 

আপনি ওয়েবসাইটের ওয়েব পেজগুলো এক্সেস গুগল ও অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনকে দিবে। সার্চ ইঞ্জিন রোবট শুধু সেই ওয়েব পেজ গুলোকে ইনডেক্স করতে পারবে। 

সাইট ম্যাপ 

এসইও ক্ষেত্রে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে সাইট ম্যাপ ক্রিয়েট করা। সাইট ম্যাপের মাধ্যমে গুগলকে সুনির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়। 

ইমেজ অলটার টেক্সট 

ওয়েব সাইটের ছবি তে যথাযথ ইমেজ অলটার টেক্সট ব্যবহার করতে হবে। ইমেজ আপলোড করার সময় ফাইল নেইম ও ইমেজ সাইজ ঠিক করতে হবে। সব সময় হাই রেজুলেশন ইমেজ বা ফটো ব্যবহার করবেন। 

ফভিকন 

আপনার ওয়েবসাইটর জন্য একটা ইউনিক ফেভিকন বানাতে হবে। ফেভিকনের সাইজ ১৬×১৬ বা ৩২×৩২ পিক্সেল দিতে পারবেন। 

ফ্ল্যাশ ফাইল 

আপনার ওয়েবসাইটে ফ্ল্যাশ ফাইল না ব্যবহার করা ভালো। এক্ষেত্রে আপনি ওয়েবসাইটে জিপ ফাইল ব্যবহার করতে পারেন। এতে সাইটের জন্য ভালো হবে।

ইন্টারনাল লিঙ্ক 

এক পোস্ট থেকে অন্য পোস্টে লিঙ্ক করাই হচ্ছে ইন্টারনাল লিঙ্ক। ইন্টারনাল লিঙ্ক ব্যবহার করার সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। 

ইন্টারনাল লিঙ্ক সব সময় সিমিলার কান্টেন বা কি - ওয়ার্ডের সঙ্গে করা উঠিত। কন্টেন্টের শেষের দিকে ইন্টারনাল লিঙ্ক করা দরকার। এতে আর্টিকেল পড়ার সময় পাঠক ঠিকঠাক ভাবে আর্টিকেল পরতে পারবে। 
তাই লিঙ্ক সব সময় নিচে দেওয়া চেষ্টা করবেন। 

ব্রোকেন লিঙ্ক 

সাইটে কোনরকম ব্রোকেন লিঙ্ক রাখা যাবে না। কারন ব্রোকেন লিঙ্ক গেলে সাইটের কন্টেন্ট খুজে পাওয়া যাই না। তাই ব্রোকেন লিঙ্ক রিমুভ করে দিতে হবে। 

ডেড লিঙ্ক 

ডেড লিঙ্কে কারনে সাইটের কোন কিছু খুঁজে পাওয়া যাই না। তাই সাইটে কোনভাবেই ডেড লিঙ্ক গ্রহণ যোগ্য না। 

এইচ১ ট্যাগ 

H1 ট্যাগ হলো একটি html ট্যাগ। keyword অনুযায়ী সাইটে h1 ট্যাগ গুরুত্ব সাথে ব্যবহার করতে হবে। 

এইচটিএমএল পেজ সাইজ 

সাইটের লোডিং টাইম বৃদ্ধি করার জন্য এইচটি এম এল সাইজ কম রাখতে হবে। এতে ইউজার এঙ্গেজমেন্ট বৃদ্ধি পাবে। 

অফপেজ এসইও অপটিমাইজেশন 

অফপেজ হলো ওয়েব সাইটের বাইরে এসইও। অফপেজ এসইও বলতে আমরা সাধারণত ব্যাক লিঙ্ক কে বুঝি। এখানে শুধু ব্যাক লিঙ্ক না আরো অনেক কিছু ও অনেক কাজ থাকে। যেমন কম্পিটিটর অ্যানালাইসিস, লিঙ্ক বিল্ডিং, ইত্যাদি। 

কম্পিউটটর অ্যানালাইসিস 

আপনার কম্পিউটটর রা  কীভাবে কী করছে তাদের প্লান কী। সেগুলো একটি লিস্ট বের করুন। কম্পিউটটর দের সম্পর্কে সব সময় আপডেট রাখতে হবে। 

ওয়েব ২.০  

ওয়েব সাইটের DoFollow ব্যাক লিঙ্কের জন্য ওয়েব ২.০ অন্যতম উৎসাহ। ওয়েব সাইট সার্চ ইঞ্জিননে রেঙ্ক করানো জন্য ওয়েব ২.০ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওয়েব ২.০ সাইতে অ্যাকাউন্ট তৈরি করে সেখান আর্টিকেল পোস্ট করে সাইটের জন্য DoFollow backlink নিতে পারবেন। 

 প্রোফাইল ব্যাকলিঙ্ক 

বিভিন্ন সাইটে নিজের প্রোফাইল তৈরি করে। সেই প্রোফাইলে আপনার ওয়েবসাইট লিঙ্ক অ্যাড করুন। এতে আপনার সাইটের জন্য একটি ব্যাক লিঙ্ক তৈরি হয়ে যাবে। 

কমেন্ট ব্যাক লিঙ্ক 

বিভিন্ন সাইটে গিয়ে কমেন্ট করে ব্যাক লিঙ্ক নেওয়া যায়। অবশ্য পুরো  আর্টিকেল পড়ে রিলিভেন্ট কমেন্ট করবেন। 

ফটো শেয়ারিং 

বিভিন্ন ফটো শেয়ারিং সাইট রয়েছে। সেই গুলো তে আপনার ওয়েবসাইটের ফটো দেওয়ার সময় কন্টেন্ট সোর্স। হিসাবে আপনার সাইটের লিঙ্ক ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনার সাইটের লিঙ্ক বৃদ্ধি পাবে এবং সাইট দ্রুত রেঙ্ক করবে। 


টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন 

টেকনিক্যাল এসইও অপটিমাইজেশন মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো 
  • সাইট স্পিড। 
  • মোবাইল ফ্রেন্ডলিনেস। 
  • সিকিউরিটি হ
  • ইনডেক্সিং ।
  • সাইট আর্কিটেকটার ।

গুগল ওয়েব মাস্টার 

গুগল ওয়েব মাস্টার হলো গুগলের নিজস্ব সার্ভিস এইটা একদম ফ্রি। এর সাহায্যে ওয়েব সাইটকে সহজে মনিটর এবং নিয়ন্ত্রণ করে পারবেন। জিমেইল অ্যাকাউন্ট থাকলে গুগল ওয়েব মাস্টার টুল ব্যবহার করতে পারেন। গুগল ওয়েব মাস্টার টুলের সাহায্য সাইট ইনডেক্স পোস্ট ইনডেক্স করাতে হবে। 


গুগল মাস্টার নিয়ে কিছু টিপস 

সাইট ম্যাপ 

গুগল ওয়েব মাস্টার সাহায্য। ওয়েব সাইটের সাইট ম্যাপ সাবমিট করতে হবে। যার ফলে ওয়েব সাইটের আর্টিকেল এবং আপডেট খুব সহজে ইনডেক্স করে। পাশাপাশি ইনডেক্স রিপোর্ট তৈরি করে। 

কন্টেন্ট 

ওয়েব সাইটের সব আর্টিকেল বা কন্টেন্ট মনিটরিং করে গুগল ওয়েব মাস্টার টুল । কোন আর্টিকেলে কত ইম্প্রেশন হলো কত জন ভিজিটর এসে আর্টিকেল পড়েছে। ফলে সহজে বুঝতে পারি কোন ধরনের আর্টিকেল বা কন্টেন্ট দিলে মানুষ বেশি পড়বে। 

কান্ট্রি টার্গেটিং  

একটি ওয়েব সাইট কোন দেশে Rank করাতে চান সেটা গুগল ওয়েব মাস্টারকে সিলেক্ট করে দিতে হবে। গুগল দেশ ও ভাষাকেন্দ্রি কন্টেন্ট গুগলে ইনডেক্স করে থাকে। এইটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। 

সার্চ রেজাল্ট ও ক্লিক 

একজন ভিজিট গুগলে কী ধরনের কিওয়ার্ড সার্চ করে আপনার সাইটে আসতেছে। কত ইম্প্রেশন ও কত ক্লিক হলো তার রিপোর্ট সহজে দেখতে পারবেন। গুগল ওয়েব মাস্টার টুলস সাহায্য 

মোবাইল ফ্রেন্ডলি 

ওয়েব সাইটে অবশ্য মোবাইল এসইও ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করতে হবে। ওয়েব সাইটের ৮০ % ভিজিটর আসে মোবাইল থেকে। তাই অবশ্যই ওয়েব সাইট মো ফ্রেন্ডলি বানাতে হবে। 

গুগল অ্যানালাইটিকস 

গুগল অ্যানালাইটিকস গুগলের একটি ফ্রি সার্ভিস।
 গুগল অ্যানালাইটিকস মাধ্যমে রিয়েল টাইম ভিজিটর রিপোর্ট দেখতে পাওয়া যাই। ওয়েব সাইটের ভিজিটরের সংখ্যা তাদের অবস্থান কাল।

 সার্চ ইঞ্জিন থেকে কত ভিজিট আসল তার সংখ্যা। ওয়েব সাইটের বাউন্স রেট। গুগল বাদে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া থেকে কত ভিজিটর এসেছে তা দেখতে পাওয়া যাই ।

আরো পড়ুন :


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন